কি হতে পারে ভবিষ্যত? কি হতে চলেছে এই মানব সভ্যতার সাথে? – Khoborbd24
করোনা আপডেটসম্পাদকীয়
Trending

কি হতে পারে ভবিষ্যত? কি হতে চলেছে এই মানব সভ্যতার সাথে?

এইচ আর রিয়াজ

ক্ষুদ্র এক ভাইরাসের ভয়ে আজ বিশ্বের ক্ষমতাসীন দেশগুলো কুপোকাত। ভাইরাসের প্রভাব ঠেকাতে খাচ্ছে হিমসিম। প্রতিটি আক্রান্ত দেশ যেন মৃত্যু পুরিতে রুপান্তরিত হয়েছে। নেই কোনো কোলাহল নেই জনসমাগম। লাশের মিছিলে সব যেন স্তব্ধ। আজ কোথাও নেই যুদ্ধ নেই অস্ত্রের ঝনঝনানি। নেই কারো সামরিক শক্তির বড়াই।

আজ বিশ্বের ক্ষমতাসীন দেশ আমেরিকা যেন নোভেল করোনাভাইরাসের সর্গ হিসেবে উপস্থিত। অতিথি পরায়ান ইতালি যেন ভেংগে চৌচির করোনার মারন ঘাতী আঘাতে। প্রযুক্তি দিয়ে যারা বিশ্বকে শাসন করার ক্ষমতা রাখেন সেই জার্মানির অর্থিক অবস্থা আজ যেন বিশ্বের সব চাইতে তলানির দেশটির মতো। যা হয়তা কল্পনা করাও যায়না তাইতো অর্থনৈতিক মন্দার আশংকায় সুইসাইড করতে বাধ্য হয়েছেন জার্মানির হেসে প্রদেশের মন্ত্রী টমাস শাফের।

তবে চীন রয়েছেন বহাল তবিয়তে। যেখানে চিনের উহান শহরে এই মরনঘাতী নোভেল করোনাভাইরাস এর উৎপত্তি সেই চীনে অন্য দেশ গুলোর তুলোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ও অনেক কম। কাটিয়ে উঠেছেন অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবও।

আমেরিকা মনে করেন এই চীন ই সুচিন্তিত ভাবে এই নোভেল করোনা ভাইরাসে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছে। এই মন্তব্য খোদ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

এতো গেলো রাগব বোয়াল দের কথা যেখানে তারাই টাল-মাতাল অবস্থার মধ্যে আছে এই নোভেল করোনাভাইরাস সামাল দিতে। তাদের তো রয়েছে অনেক উন্নতি প্রযুক্তি। সে খেত্রে আমাদের তো তেমন কোন প্রযুক্তি নেই বললেই চলে।
কি হতে চলেছে আমাদের এই সোনার বাংলার সাথে? কি ই বা এর ভবিষ্যত?

একটু চিন্তা করুন, যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা হুরহুর করে বাড়ছে। সেখানে আমাদের মধ্যে সচেতনতার কোনো বালাই নেই। নেই কোনো ধারনা এই করোনাভাইরাস সম্পর্কে। এটা যে প্রানঘাতী ভাইরাস তা নিয়ে ও আমাদের নেই কোনো সচেতনতা।
যেখানে বিশ্বের ক্ষমতাসীন দেশ গুলো লকডাউন এর মাধ্যমে সামাজিক দুরত্ব বজায়ে রেখেছেন ঠিক তার উল্টো চিত্র আমাদের দেশে। গ্রাম গঞ্জের মানুষের মাঝে তো এর কোন প্রভাবই পরেনি।

বেশিরভাগ বাজার,দোকান এখনো চলছে রমরমা। সামাজিক দুরত্ব তো দুরের কথা একসাথে বসে আড্ডা না দিলে কি এইসব অসভ্য বাঙ্গালির পেটের ভাত হজম হয়?.
পরিসংখ্যান বলছে যতোগুলো নমুনা পরিক্ষা করা হচ্ছে করোনা ভাইরাসের তার ৫০-৬০ ভাগ ই পজিটিভ। প্রতিদিন গড়ে ১০-১২ জন মানুষ সামিল হচ্ছে লাশের মিছিলে।

তবে এই আক্রান্তের সংখ্যা যে জ্যামিতিক আকারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তা একটি খেয়াল করলেই বোঝা যায়। সামনে কি অপেক্ষা করছে আমাদের ভাগ্যে তা কিছুটা হলেও আচ করা যায়।

এই সোনার বাংলা যেন চীন,ইতালি,আমেরিকার পরিস্থিতিতে না পরে। আসুন সোনার বাংলা কে রক্ষা করি, নিজে সচেতন হই অন্যকে সচেতন হওয়ার জন্যে উৎসাহ প্রধাণ করি।চলুন কয়েকদিনের জন্যে অসামাজিক হয়ে যাই, কারো বাসায় যাবো না, বাসা থেকে বের হবো না নিজেকে বন্দী অবস্থায় রাখুন। নিজে সুরক্ষিত থাকুন পরিবার পরিজন,সমাজ,দেশ কে সুরক্ষিত রাখুন।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like us at Facebook

Default description


This will close in 30 seconds