বাবাকে নিয়ে না বলা যত কথা – Khoborbd24
মতামতসম্পাদকীয়

বাবাকে নিয়ে না বলা যত কথা

রেজাউল ইসলাম রেজা

বাবা’ কেবল দুটি অক্ষরের একটি শব্দ নয়

বাবা দুটি অক্ষরের একটি শব্দ হলেও এর ব্যাপ্তিটা কলমের কালিতে কখনো সীমাবদ্ধ করা সম্ভব নয়। হয়ত প্রবল অনুভূতিগুলো কলম আর কাগজের পাতার সংস্পর্শে কিছুটা জীবন্ত করা যেতে পারে। ছোটবেলার সবচেয়ে ভয়ানক নাম বাবা। ঘুমের রাজ্যে যখন পৃথিবী গদ্যময় তখন বাবা নামটি হয় একটি নিষ্ঠুরতম নাম। সে সময়ের অপরিপক্ক মন বুঝতে চায় না সেই নিষ্ঠুরতার মূল্য। অন্তর্নিহিত ভালোবাসারা সংজ্ঞায়িত হয় না কাচা শরীরে। পড়ার টেবিল থেকে শুরু করে খেলার মাঠ সবজায়গায় শুধু বাবাদের প্রতিচ্ছবিই চোখে ভাসে প্রতিনিয়ত। রাগে, অভিমানে সকল দুঃসময়ের খোরাক যিনি তিনিই তো বাবা। “বড় হয়ে কি হবি? ঘোড়ার ঘাস কাটা ছাড়া তো উপায় নেই! “এমন প্রশ্নে জর্জরিত হয়ে সুখগুলো সব পালিয়ে বেড়ায়। নিঃশব্দে গা ঢাকা দেয় জীবন নামক শহরের কোণে। ভালোবাসারা হয় অসহায়। সে সময়ের ছোট মন তবুও যেন বোঝে না কেন এই নির্মমতা। কেনই বা এই নিষ্ঠুরতা।

বুক ফুলিয়ে বন্ধুদের কথা দিয়ে কথা না রাখতে পারার লজ্জা যেন কোনোভাবেই নিজের বেহায়া মনকে শান্ত করতে পারে না। দলবেঁধে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা, পুকুরের এখানে সেখানে ঝাপ, বৃষ্টিতে ভিজে কাদা ছোরাছুরি কিংবা খেলার মাঠের আড্ডা সবকিছু ভেস্তে যাওয়ার জন্য যার ভূমিকা অসামান্য, তিনি আর কেউ নন। তিনিই আমাদের বাবা ! মাঝে মাঝে ছোট মন হঠাৎ করেই প্রশ্ন করে বসে, “এই মানুষটার কি কোনো দয়া মায়া নেই? এই মানুষটার ছেলেবেলা বলতে কি কিছু ছিল না?” নতুন একটা ব্যাট বা শখের ফুটবল কেনার আবদারে ওপারে থাকা পুরনো জুতায় কালি করতে থাকা মানুষটার মুখ থেকে জবাব আসে, “পড়তে বস “। সন্ধ্যার পর টিভিতে পছন্দের অনুষ্ঠান দেখতে দেখতে যখন আনন্দের সাগরে ডুবতে থাকি তখনই দরজায় ঠক ঠক অাওয়াজ, অকস্মাৎ সব আনন্দ যেন ধুলোবালির মত উড়ে যায়। একরাশ অভিমানে মনের কোণে বিষাদ জাগে। এক দৌড়ে টেবিলে যেতে যেতে নিজের মনকে শান্তনা দেয়া ছাড়া আর কিছু করার থাকে না। যতক্ষণ এই মানুষটা বাসায় থাকে ততক্ষণ শুধু ভয় শরীরজুড়ে লেপ্টে থাকে। বাহিরে গেলেই মনে হয় যত শান্তি। এক আকাশ হাফ ছেড়ে বাঁচা।

বাবার সামনে দাঁড়িয়ে তার সাথে কথা বলার মত ক্ষমতা ছিল না কখনো। একবার একটা ল্যাপটপ কিনে দিতে বলায় বাবা বলেছিলেন পরীক্ষায় যদি ভালো ফলাফল হয় তবেই ঘরে ল্যাপটপ আসবে। বাসায় থাকা সাদা-কালো টেলিভিশনটার বয়স গুণে গুণে বিশ বছরে পা দিল। একটা রঙ্গিন টেলিভিশনের খুব শখ ছিল। মাকে দিয়ে বলানো হলো। তবে কখনো ভাবিনি বাবা তার পছন্দের মটরসাইকেলটা বিক্রি করে আমাদের শখগুলো পূরণ করবেন। পায়ে হেঁটেই যাবেন দীর্ঘপথ। বাবা বাহির থেকে যতটা না কঠোর ভিতরে তিনি ততটাই কোমল। কঠিন চেহারার এই মানুষটিই কখনো ভেঙ্গে পড়তেন না। কবি আবুল হাসানের ভাষায়, “ঝিনুক নীরবে সহো, ঝিনুক নীরবে সহো, ঝিনুক নীরবে সহে যাও, ভিতরে বিষের বালি, মুখ বুঁজে মুক্তা ফলাও!” সেই ঝিনুকটিই যেন বাবা। সব কষ্ট একাই বুকে বয়ে বেড়ান। সন্তানকে সেটা কখনো বুঝতে দেন না। সন্তানের সুখের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করতেও দ্বিধা করেন না তিনি। অফুরন্ত ভালোবাসা, অাদর অার শত অাবদারের এক অদ্ভুত ভান্ডার তিনি।

বাবাকে ছোটবেলা থেকেই দেখেছি ভীষণ কৃপণ। এক জোড়া জুতা দিয়ে বছর পার। কখনো দেখিনি ভালো একটা শার্ট কিংবা ভালো একটা প্যান্ট পরতে। বছর দুয়েক আগের পুরনো সেই জুতোর শেষ অংশ রাস্তার সাথে মিশে গেছে। পায়ের পেছনের দিকটা মাটির অাঘাতে কালো হয়ে গেছে। অমসৃণ পথে হাঁটতে কষ্ট হয়। তবুও কখনো নতুন একটা জুতো কিনতে দেখিনি। ইদের সময় পরিবারের সবার আশা-আকাংখা পূরণ হলেও তার কপালে জুটতো না কিছুই। তবুও যেন তার মুখে হাসির কমতি নেই। সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে বছরের পর বছর একটা পুরনো পাঞ্জাবি দিয়েই কাটতো তার ইদ। ছেলের স্কুলের মাইনে, টিউশন ফি, ঘর ভাড়া, সংসার খরচ দিয়ে শেষে যে দুটো পয়সা বাঁচতো তা জমিয়ে রাখতো ছেলের আবদারের জন্য। বায়নাগুলোকে পূর্ণতা দেয়ার জন্য। আরেকটু খুশি করবার জন্য।

এই মানুষটার কথা মনে পড়লে বুকটা আজও থর থর করে কেঁপে ওঠে। অর্ধপাকা হাত দুটো আর সামনে এগোয় না। কলমের কালিতে আটকে রাখার মত দুঃসাহস করতেও ভয় হয়। সকালে ঘুম থেকে উঠে এই মানুষটা কাজের সন্ধানে বের হয়। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, ঘর্মাক্ত শরীরের রক্ত পানি করে সারাদিনব্যাপী কাজ করে উপার্জন করে। শুধু দুবেলা পেট পুরে খাওয়ার জন্য। প্রিয় সন্তানদের নিয়ে সুখে থাকার জন্য। দিনের পর দিন, মাসের পর মাস কিংবা বছরের পর বছর এই একটাই রুটিন। সকালে বের হওয়া আর রাতে বাড়ি ফেরা। আমাদের ছুটি থাকলেও তার কোনো ছুটি নেই। কাজের পর কাজ। এ যেন এক রায়বিহীন যাবজ্জীবন। মাঝে মাঝে মনে হয় এই মানুষটার কি কোনো স্বাদ- আহ্লাদ নেই। একটু শান্তির অভিপ্রায় নেই। চব্বিশ ঘন্টায় বত্রিশ রকম কাজ। চোখের কোণে অল্প একটু ঘুম। তবুও যে তাকে পাড়ি দিতে হবে দীর্ঘ পথ। বিলাসীতার ক্ষুধা পুড়িয়ে ফেলতে হবে এক নিমেষে। নিজ স্বার্থকে ভুলে যেতে হবে অনায়াসে।
সারাদিন কঠোর পরিশ্রম করেও রাতে বাড়ি ফিরেন হাসিমুখে। রাতে বাড়ি ফিরেও যেন তার বিশ্রাম নেই। সন্তানদের মানুষের মত মানুষ করার জন্য, তার আদর্শে গড়ে তোলার জন্য, একটু সুখের সন্ধানে কখনো বের হননি তিনি। সন্তানের কোনো সখই যেন অপূর্ণ রাখেন না। হাসি মুখে মাছের মাথাটা তুলে দেন সন্তানের পাতে। মুচকি হাসিতে ভুলে যান সব দুঃখ, দুর্দশার স্বাদ। সন্তানের সুখেই তার সুখ।

এই ভীষণ অপছন্দের মানুষটিকে ‘ভালোবাসি’ শব্দটা বলা হয়নি কখনো। মুদ্রার এপিঠটা দেখা হলেও কখনো দেখা হয়নি ওপিঠ। সমতলে থেকে পাহাড়ের অপর পাশের দৃশ্য কখনো চোখে ভেসে আসেনি। শুধু ভাবতাম কখন বড় হবো। আর এই শিকল বন্দি জীবন থেকে ছুটি পাবো। খাঁচা মুক্ত পাখির মত বিশাল আকাশটায় ঘুড়ে বেড়াবো অসীম স্বাধীনতায়। আনন্দের ঢেউ অাছড়ে পড়বে আমার তীরে। নিয়ম শৃঙ্খলার চাদর ভেঙে করবো চুরমার। তখন আর কেউ বেঁধে রাখতে পারবে না আমায়। পারবে না কঠোর শৃঙ্খলে আটকে রাখতে। এরকম ভাবতে ভাবতে কেটে যায় দিন, সপ্তাহ, মাস, বছর। এক কাপ চা আর দুটো বিস্কুট দিয়ে দিন পার করা মানুষটিকে মন খুলে বলতে পারিনি না বলা যত কথা। বলা হয়নি বাবা তোমাকে কতটা ভালোবাসি আমি।

আজ আমি অনেক বড়, নেই বন্দিদশার দীর্ঘশ্বাস। আজ আমার প্রচুর স্বাধীনতা, তবুও বুকের কোণে একটা শূন্যতার বসবাস। আমি কখনো বুঝিনি বাবার সেই কৃপণতার মানে। সেই নিষ্ঠুরতার মূল্য। চারদেয়ালে বন্দি থাকা একজন বাবাকে দেখেছি। দেখেছি কঠোর নিয়ম-কানুন আর তার দেয়া অনুশাসনকে। দেখিনি তার মধ্যে বসবাসরত বৃহৎ জগৎটাকে। কখনো দেখিনি লুকিয়ে থাকা তার বুক ফাটা আর্তনাদকে। বাবাকে কখনো দেখিনি তার সততার বিসর্জন দিতে। নিজে কষ্ট করেছেন তবু একটু সুখের আশায় নিজ স্বত্বাকে দেননি বলি। আর যখন সেই নিষ্ঠুরতা অার কৃপণতার মানে বুঝলাম, যখন সেই সততার মূল্য বুঝতে শুরু করলাম, তখন সেই মানুষটা আমাদের কাছে নেই। এই হৃদয়ের চিত্রপটে বেঁচে আছে শুধু তার দেয়া কিছু স্মৃতি। যেগুলো পুড়িয়ে বাবার মত করে আমাকেও একদিন ঠিকানাহীন খামে চলতে হবে বাকিটা পথ।

ছোট বেলায় বাবার মুখে শোনা একটি গল্প আজও মনে পড়ে। বাবা বলতেন, ” খোকা ধর তুই, আমি, আর তোর সন্তান একটা নৌকায় বসা। মাঝনদীতে গিয়ে নৌকাটা ডুবে গেলে, তুই শুধু একজনকেই বাঁচাতে পারবি। তুই কাকে বাঁচাবি? “তার ছুঁড়ে দেয়া প্রশ্নের উত্তর আমি আজও খুঁজি। মাতৃবন্দনার মত পিতৃবন্দনা করা হয় না আমাদের সমাজে। সন্তানদের ভালোবাসা ফুটে ওঠে কেবল মায়ের জন্য। সকল আবদার যেন ওই মায়ের কোলে শুয়েই। বাবার কোলে মাথা রেখে ঘুমানো সন্তানের কাছে মায়াপুরীর গল্পের মত। সন্তানের প্রতি বাবার ভালোবাসাটা হয়ত প্রকাশ পায় না। তবে বাবারা তাদের দায়িত্ব থেকে কখনো বিচ্যুত হয় না। শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত নিজ জীবনটাকে বিলিয়ে দেন সন্তানের জন্য। বাবা বলতেন, “ছেলেরা বাবা হয় কিন্তু বাবা কখনো ছেলে হয় না। এই পৃথিবীতে সবচেয়ে কঠিন কাজ কি জানিস? পিতার কাঁধে সন্তানের লাশ। আমি সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি যাতে তোর আগে আমার মৃত্যু হয়। তাহলে তুই হয়ত আমার একটা ঋণ শোধ করতে পারবি”।

বাবাকে নিয়ে যতই বলি ততই কম হবে। বিখ্যাত মনীষীদের সাথে তাল মিলিয়ে আমিও বলতে চাই পৃথিবীতে হয়ত খারাপ মানুষ আছে কিন্তু একটাও খারাপ বাবা নেই। অজপাড়া গাঁয়ে বেড়ে ওঠার কারণে বেশিদূর লেখাপড়া করতে না পারলেও তার মধ্যে জ্ঞানের কোনো কমতি ছিল না। সন্তানকে মানুষ করবার জন্য মাথার ঘাম পায়ে ফেলে একমুঠো সুখকে দিয়েছে বিসর্জন। ক্লান্ত আর ঘামে ভেজা শরীরে ফুটে উঠেছে সন্তানের প্রতি তার নিবিড় ভালোবাসার কথন। নানান রকম দায়িত্বের বোঝা কাঁধে রেখে সে ছুটে চলেছে কন্টকাকীর্ণ পথ। রাতের ঘুম হারাম করে পূর্ণিমার চাঁদ হয়ে জেগে থেকে, দিয়েছে আলো। নিঃস্বার্থ ভালোবাসার অতন্দ্র প্রহরী হয়ে পাহারা দিয়েছে তার সন্তানদের। বিলিয়ে দিয়েছে এক অাকাশ ভালোবাসা। ছুটে চলছে অনন্তকাল।

বাবারা সহজে কাঁদে না। প্রচন্ড কষ্টে বুকে পাথর বাঁধে, সেই পাথরে শৈবাল জন্মে। তবুও যেন এক চিমটি জল গড়িয়ে পড়ে না তাদের চোখ বেয়ে। তাদের সমুদ্রে ঢেউ অাছে। তীব্র সেই ঢেউ। যার আছড়ে ক্ষত বিক্ষত হয় তাদের শরীর। ছোটবেলা থেকে যার ছায়ায় বড় হয়ে ওঠা তার মূল্য কি দিতে পেরেছি ? নাকি সারাজীবনটা যাদের জন্য নিঃশেষ করে দিয়েছে, নিজ স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে যে মানুষটা একটু সুখ খোঁজেননি, তিনি আজ থেকেও বহুদূরে। পরে আছে শুধু তার পুরনো ছেঁড়া দুটো পাঞ্জাবি, বুড়ো বয়সের সঙ্গী লাঠি আর ভেঙে যাওয়া চশমা। পরে আছে তার ব্যবহৃত সেই রং ঝলসে যাওয়া কম দামী ঘড়িটি। ঘড়িটার বয়স হয়েছে। কাটাগুলো হয়েছে পুরনো। তবুও যেন চলতেই আছে। থামছে না। শুধু থেমে যায় বাবারা।

আজ বাবা সাথে নেই। তাই তার কাছে আবদারও নেই। প্রতি বছর দুবার এই প্রিয় নিষ্ঠুর মানুষটার সাথে দেখা হয় আমার। লাখ টাকার গাড়িতে করে পাড়ি জমাই স্মৃতির শহরে। যে শহরে মিশে আছে বাবার রেখে যাওয়া যত্নমাখা স্মৃতি। মিশে আছে ফেলে যাওয়া মধুর অতীত। খুব ভোরে শিশিরে ভেজা ঘাসে পা মাড়িয়ে হেঁটে যাই বাবার সাড়ে তিন হাতের ছোট ঘরটার কাছে। চারিদিক ঝোপঝাড়, জঙ্গলে ঘেরা। বুনো ভাট আর লতানো গাছে ছেয়ে গেছে বাঁশের বানানো ঘর। বছর তিনেক অাগে লাগানো গাছে ফুল ফুটেছে। রক্তজবা ফুল। আমি বাবাকে ডাকি। বাবা আমার দিকে অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে থাকেন। বাবাকে বলি আমার না বলা কথাগুলো। বাবা চুপিসারে সব শোনেন। কিন্তু আজ আর উত্তর দেন না। শুধু নিঃশব্দে আশীর্বাদ দেন আমায়। চোখের জলে ভেসে যায় এ হৃদয়ের সব শোক। আফসোসগুলো হারিয়ে যায় দীর্ঘশ্বাসে। সময় চলতে থাকে তার নিয়মে।

যার হাত ধরে এই পৃথিবীর পথচলা শুরু। সেই বাবাদের ফোন কখনো পুরনো হয় না, শার্টের হাতা কখনো ছোট হয় না। পুরনো হয় না পরনের জুতো। জীবনযুদ্ধে এই ছেঁড়া জুতো দিয়েই কত বর্ষায় উচু নিচু পথ হাঁটে বাবারা। সুবিশাল পাহাড় কেটে মসৃণ করেন, তৈরি করেন তার প্রিয় সন্তানদের চলার পথ। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ সন্তানের জন্ম হয়। তেমনি জন্ম হয় একই অঙ্কের ভবিষ্যৎ বাবাদের। বাবারা কেবল দুটি অক্ষরের একটি শব্দ নয়। বাবারা একেকজন একটি বটবৃক্ষ। প্রখর রোদে ছায়া দেয়া উঁচু বটবৃক্ষ। যার সুবিশাল বাহু দিয়ে আমাদের আগলে রাখেন সারাজীবন। ঝড়, বৃষ্টি কিংবা যেকোন দূর্যোগ থেকে রক্ষা করেন আমাদের। নিজের সুখকে বিসর্জন দিয়ে গড়ে তোলেন আরও একটি নতুন গাছ। আরও একটি সুবিশাল বৃক্ষ। গড়ে তোলেন একটি সুন্দর পৃথিবী। বিনম্র শ্রদ্ধা এই পৃথিবীর সকল বাবাদের।

লেখক- রেজাউল ইসলাম রেজা, কৃষি, চতুর্থ বর্ষ
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
মোবাইল – ০১৮৭৮০১৯৮৬২

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like us at Facebook

Default description


This will close in 30 seconds