ফিটনেস টেস্টে উত্তীর্ণ হতে পারেনি নাসির – Khoborbd24
খেলাধুলা

ফিটনেস টেস্টে উত্তীর্ণ হতে পারেনি নাসির

পাঁচ দলের বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপকে সামনে রেখে দুই দিনব্যাপী নেওয়া হয়েছে ক্রিকেটারদের ফিটনেস টেস্ট। মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) ছিল ফিটনেস টেস্টের দ্বিতীয় ও শেষ দিন। প্রথম দিনের টেস্ট নিয়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছিলেন বিসিবির প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। তবে দ্বিতীয় দিন সিনিয়র কয়েকজনের ফিটনেস টেস্টের ফল নিয়ে ক্ষেপেছেন তিনি।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাচকের ক্ষেপার মূল কারণ নাসির হোসেন। মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) নিজের ফিটনেস টেস্ট দেওয়া নাসির করেছেন মাত্র ৮.৫ স্কোর। যা এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন। জাতীয় দলের সাবেক এ ক্রিকেটারের এমন ফিটনেস নিয়ে ক্ষেপেছেন টাইগারদের প্রধান নির্বাচক।

নান্নু জানান, ফিটনেস টেস্টে পাস মার্ক ধরা হয়েছে ১১, সেখানে নাসিরের স্কোর ৮ (৮.৫)। যারা ফিটনেস টেস্টে পাস করতে পারেননি তাদের আর কোনো রকম সুযোগ দেওয়া হবে না।

সাংবাদিকদের মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বলেন, ‌‘ওর (নাসিরের) তো খুব খারাপ অবস্থা, ও খেলতে পারবে না। ৮ তো আমিই টেস্ট দিলে পাব। যারা ফেল করছে তাদের আর কোনো পরীক্ষা নেওয়া হবে না। ফিটনেস টেস্টে পাস করতে হলেও অনুশীলন করতে হয়। আপনি এসেই তো আর পাস করতে পারবেন না। আব্দুর রাজ্জাক, শাহরিয়ার নাফিস ভালো করেছে। এতেও ওর (নাসিরের) শিক্ষা হয়নি? তাই বলে মাত্র ৮!’

নাসিরের এমন ফিটনেস দেখে টাইগারদের প্রধান ফিটনেস ট্রেনার লিক লিও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। নান্নু বলেন, ‘নিক লিও দেখে হাসছে, লজ্জাজনক। একজন জাতীয় পর্যায়ের প্লেয়ার, প্রথম শ্রেণির চুক্তিভুক্ত প্লেয়ার, তার ফিটনেস লেভেল হলো ৮!’

নাসির ছাড়াও ফিটনেস টেস্টে সোহাগ গাজীও পাস করতে পারেননি। এ বিষয়ে নান্নু বলেন, ‘সোহাগ গাজীর কথাই ধরুন না, ওর ফিটনেস লেভেল ৯। যারা ফেল করেছে ওদের নিয়ে আর নতুন করে ভাবার কিছু নেই। দুই বছর হলো ওদের নিয়ে দৌঁড়াচ্ছি, আর সম্ভব না।’

তিনি আরও বলেন, ‘নিজের ফিটনেস নিজের কাছে। এটা কী আমি আপনি করে দিতে পারব? আপনি যতদিন ফিট থাকবেন খেলবেন, না হলে খলবেন না। আমার মনে হচ্ছে নাসিরের ক্রিকেট খেলার ইচ্ছেই নাই। আমাকে নিক লিও একই কথা বলেছে যে, ওর তো খেলার ইচ্ছাই নাই। সোহাগ গাজীরও একই অবস্থা।’

ফিটনেস টেস্টে গত বছর জাতীয় লিগের আগেও উত্তীর্ণ হতে পারেননি নাসির। এক বছরে নাসিরের ফিটনেসে উন্নতি হয়নি, বরং অবনতি হয়েছে। গতবার তার ফিটনেস স্কেল ছিল ৯, যা এবার আরও কিছুটা কমে হয়েছে ৮.৫।

এদিকে ফিটনেস টেস্টে দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার প্রায় ৬৫ শতাংশ ক্রিকেটার ১১-এর উপর স্কোর করেছেন। সর্বোচ্চ ১৩.৬ পেয়েছেন পেসার মেহেদী হাসান। এর আগে প্রথম দিন সোমবার রাজ্জাক, আশরাফুল, শাহরিয়ার নাফিসরা ১১-এর উপরে স্কোর করে পাস করেছেন।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Like us at Facebook

Default description


This will close in 30 seconds